Image description

আজ ১৩ সেপ্টেম্বর, যাত্রী অধিকার দিবস। বাংলাদেশে ৮ম বারের মতো দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের মূল প্রতিপাদ্য ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি’। দিবসটি উপলক্ষে দেশের যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানান কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির অভিযোগ, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের নিরাপত্তা। বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছরের এই দিনে যাত্রী হয়রানী, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সড়কে দুর্ঘটনা, গণ-পরিবহনে অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে যাত্রী অধিকার দিবস পালিত হয়ে আসছে। একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে আসছে বিভিন্ন সংগঠন।

 

যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে ১৩ সেপ্টেম্বর যাত্রী অধিকার দিবস পালন করে। দিবসটি সামনে রেখে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বৈশ্বিক যুদ্ধবিগ্রহে জ্বালানীর মূল্য বৃদ্ধি, আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানান কারণে দেশে যাত্রী হয়রানী ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে।

 

সংগঠনটি বলেছে, মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা অনেকখানি কমেছে। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানান আতংকের মধ্যদিয়ে আমাদের প্রতিদিনের যাতায়াতের পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের জীবন যাচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা কিছুতেই থামছে না।

 

যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে নানান খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহনখাতে তেমন কোন পরিবর্তন নেই। পরিবহন মাফিয়ারা এখনো এইখাতের নিয়ন্ত্রক। এসব প্রেক্ষাপটে এবারের যাত্রী অধিকার দিবস অনেক বেশি তাৎপর্য বহন করে।