Image description

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘আসিফ মাহমুদকে দুদক ফেস করা লাগবে না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক! এরপর সে দুর্নীতি করেছে কী করে নাই, সেটা আমি প্রমাণ করে দিবো।’

আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৮ টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘সরকারের উপদেষ্টা হয়ে সে কেন এবং কী কারণে বেসরকারি সফরে দুবাই সফরে গেল? এটার কোনো সদুত্তর আজও তিনি দিতে পেরেছেন? বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময় তো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসব অভিযোগ গণমাধ্যম এসেছে। সেসময়কার দুদক এতো নিরপেক্ষ হলে এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে তদন্ত করলেও, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি?’

তিনি বলেন, ‘তখন যদি অভিযোগসমূহের বিষয়ে দুদক তদন্ত করে ফেলতো, তাহলে তো বর্তমানে কোনো তদন্তের প্রয়োজন হতো না! আর বড় বিষয় হলো, আজকে প্রেসক্লাবে দুর্নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কারের প্রোগ্রামে আসিফ মাহমুদের পাশে কেন কোনো সিনিয়র নেতাকে পাওয়া গেলো না? ইতোমধ্যে এনসিপির অফিসে আসিফ মাহমুদের সাংবাদিক সম্মেলনেও সিনিয়র কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি! তাহলে কি আসিফ মাহমুদকে সাপোর্ট করে সিনিয়র নেতারা নিজেদের গায়ে কোনো দাগ লাগাতে চাচ্ছে না?’

সচিব পদমর্যাদার এই রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ‘আমি আগেই স্পষ্ট করেছি, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে জামায়াতের আমির কেন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনে আসিফ মাহমুদকে ঢাকা -১০ আসন ছাড়তে রাজি হলো না? আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি না করলে সেসময় আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন দেওয়ার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধটাও কেন জামায়াতের আমির রাখলো না? আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন না দিতে জামায়াতের আমিরকে কে নিষেধ করেছিলো? জাতীয় নির্বাচনে যেকারণে জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা -১০ আসন ছাড়েনি, একই কারণে কি এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ছাড় দিবে?’