Image description

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর নতুন তালিকায় জায়গা হয়নি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী ও সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস গত ২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ২০২৬ সালের তালিকায় তাকে রাখা হয়নি। তবে ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার প্রোফাইল অনুযায়ী, আজিজ খানের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার।

 

বিজ্ঞাপন

এর আগে ২০২৫ সালের তালিকায় ৪৯তম অবস্থানে ছিলেন আজিজ খান। সে সময় তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ছিল ১১০ কোটি ডলার। তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালের তালিকাতেও ৪৩তম অবস্থানে থেকে শীর্ষ ৫০ ধনীর মধ্যে ছিলেন তিনি।

 

ফোর্বসের এবারের তালিকায় সিঙ্গাপুরের ৫০ ধনী ব্যক্তি ও পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ ২৩৯ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের সমান। তালিকায় প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন সম্পদের পরিমাণও আগের মতো ১০০ কোটি ডলার। ফলে আজিজ খান তালিকায় না থাকলেও তার সম্পদের পরিমাণ নির্ধারিত সীমার কাছাকাছি রয়েছে।

 

২০২৬ সালের তালিকায় সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো স্যাভেরিন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। ১৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন কুয়েক লেং বেং ও তার পরিবার। আর ১৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন রবার্ট ও ফিলিপ এনজি।

 

ফোর্বস জানিয়েছে, শীর্ষ ধনীদের তালিকা তৈরিতে ব্যক্তি ও পরিবারের মালিকানাধীন শেয়ারের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিবেদন, শেয়ারবাজারের তথ্য এবং বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য উৎস বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট বাজার বন্ধ হওয়ার সময়ের শেয়ারদর ও বিনিময় হারকে ভিত্তি ধরে সম্পদের হিসাব করা হয়েছে।

 

আজিজ খানের সম্পদের প্রধান উৎস বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো ব্যবসা। সামিট গ্রুপ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বন্দর, ফাইবার অপটিকস ও আবাসন খাতেও ব্যবসা পরিচালনা করে। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশালের ২২ শতাংশ শেয়ারের অংশীদার জাপানের জেরা।

 

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ খান বর্তমানে সিঙ্গাপুরের নাগরিক এবং দেশটির বাসিন্দা। ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় তার নাম ওঠে। এরপর কয়েক বছর নিয়মিতভাবে তালিকায় থাকার পর ২০২৬ সালেই প্রথমবার তিনি শীর্ষ ৫০ থেকে বাদ পড়লেন।

 

সূত্র: ফোর্বস