ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই হারে কমেছে অন্যান্য ওজনের এলপিজির দাম। অন্যদিকে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৭৩.৬৭ টাকা থেকে কমিয়ে ৭৩.০৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বরাবরের মতো ৮২৫ টাকা রয়েছে। যদিও এই এলপিজি খুবই কম সরবরাহ করা হয় এবং তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি মাসের জন্য নতুন এই দর ঘোষণা করেছে।
এর আগে গত মাসে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর জুলাইতে আগের মাসের ১ হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে এলপিজি ও অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হয় না। গ্যাস সংকটে পড়ে অনেকেই বাসায় রান্না করতে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন।
এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।