বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় আহবায়ক আবদুল মালেক বলেছেন, ‘পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, অন্তত মূল বেতনটা যেন একবারে পাই। এক্ষেত্রে আইবাসের একটা প্রবলেম ছিল। এখন যেহেতু ভাগ করে দেয়া হচ্ছে, তখন আর আইবাস নিয়ে চিন্তা করছি না, এটা সরকারের বিষয়। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, দ্রব্যমূল্য যদি বৃদ্ধি হয়, পে স্কেল দেয়ার পরে যদি বাজার মূল্যটা নিয়ন্ত্রণে রাখা না হয়, তাহলে এই পে স্কেল আমাদের জন্য এক পারসেন্টও উপকারে আসবে না।’
সোমবার (৩১ আগস্ট) সরকারের মন্ত্রিসভায় পে স্কেল অনুমোদনের পর দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন আবদুল মালেক। তিনি বলেন, ‘সরকারি নীতি নির্ধারক যারা আছেন, তাদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, এই পে স্কেলটা ইমপ্লিমেন্ট হওয়ার সাথে সাথে যাতে বাজারে ইফেক্ট না পড়ে।’
ভাতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গেজেট বা প্রজ্ঞাপন যখন জারি হবে তখনই আসলে কোন ভাতা কতটুকু হচ্ছে বলা যাবে। ভাতার ভেতরে বড় একটা অংশ হলো বাড়িভাড়া ভাতা। দ্বিতীয় হচ্ছে- শিক্ষা, চিকিৎসা, টিফিন, যাতায়াত ভাতা, এরকমের আরো অনেক অ্যালাউন্স আছে। বিশেষ করে যারা ডিফেন্সে চাকরি করেন, তাদের অ্যালাউন্সগুলো ভিন্ন, বেশি বেশি আছে। পাহাড়ি ভাতা আছে, ঝুঁকি ভাতা আছে। অনেক রকম ভাতা আছে। এগুলো প্রত্যেকটাই পরিবর্তন হয়।’
পে স্কেল দিলে প্রত্যেকটি ভাতাই বৃদ্ধি পায় উল্লেখ করে আবদুল মালেক বলেন, এখন সেটা কোনটা কতটুকু বৃদ্ধি পাবে, সেটা প্রজ্ঞাপন ছাড়া বলার সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, পে স্কেল যখন ঘোষণা হয় তখন তো আর সাথে সাথেই নতুন করে চাওয়ার অবকাশ নেই। আমরা এই মুহূর্তে সরকারের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতাই জানাই।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছে আহবান থাকবে, পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে বাজার ব্যবস্থাটা যাতে সঠিকভাবে মনিটরিং করা হয়। আমাকে মূল বেতনটা দিলেন ভেঙে ভেঙে। পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে বাজার মনিটরিংটা যেন খুব শক্তভাবে করা হয়। তাহলেই হয়তো এটি আমাদের জন্য কাজে আসবে। অন্যথায় আমাদের জন্য খুব একটা উপকারে আসবে না।’