পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার এবং অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে রমনা থানার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সিএমএম আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শাহ আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সুমাইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক মো. রাশেদুল ইসলাম।
আদালত শুনানি শেষে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার একটি বাসা থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের দুজনকেই কারাগারে পাঠানো হয়।
ডিবি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও জব্দ করা ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রয় এবং আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।
সুমাইয়া ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তারের পর ওইদিনই রমনা থানার উপ-পরিদর্শক সুব্রত দাস পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় তাদের দুইজনসহ মোট ৬ জনকে আসামি করা হয়। তারা হলেন- সালমান, মাহতির মো. সিয়াম, শাকির মাহমুদ ও মোহাম্মদ আবু সাঈদ।