Image description

প্রতিষ্ঠান বগুড়ায়। তবে পণ্যের গায়ে ঠিকানা ঢাকার ধামরাই। নিম্নমানের তুলা এবং সাধারণ টিস্যু দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পন্থায় তৈরি হতো নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পণ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালালে বের হয় জালিয়াতির এই ব্যবসা।

আজ রবিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় এশা এন্টারপ্রাইজ নামে কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং র‌্যাব-১২। কারখানাটির মালিক এমদাদুল হক। তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং কারখানা সিলগালা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহম্মেদ। তিনি জানালেন, ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাসাবাড়িতে অনুমোদন ছাড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের নেবুলাইজার ও ব্রেস্ট ফিডার পাম্পসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল সরঞ্জাম তৈরি করা হচ্ছিল। এমন একটি সংবাদ ছিল র‌্যাবের কাছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানালেন, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই পণ্য তৈরি করছিল। জবা ও সেফ কেয়ার নামের স্যানিটারি ন্যাপকিনের গায়ে ধামরাইয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিল। যা ভোক্তা অধিকার আইনে স্পষ্ট প্রতারণা। এ ছাড়া অত্যন্ত নিম্নমানের তুলা এবং সাধারণ টিস্যু মুড়িয়ে ন্যাপকিন বানানো হচ্ছিল।

তিনি আরও বললেন, ‘এটি নারী স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর। এসব অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে অর্থদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি সিলগালা করা হয়েছে।’