বেসরকারি কলেজসমূহে শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত নিয়মে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা হয়নি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১০ আগস্ট) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করে বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। মাত্র ৫ মাসের ব্যবধানে সরকারের কাছে রাতারাতি আমূল পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা অবাস্তব। শুরু থেকেই একটি মহল নানা ধরনের প্রতিকূলতা, প্রোপাগান্ডা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে আসছে, যার মূল লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, বেসরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রচলিত নিয়মটিই বহাল রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কোনো সভা কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যমান নিয়ম পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা কার্যত সাইবার সিকিউরিটি আইনের অধীনে গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রদান, শেয়ার কিংবা প্রচারণায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এ জাতীয় অসত্য গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।