Image description

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনে বেসরকারি খাতে সম্প্রসারণ এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ।

জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে অর্থবহ পরামর্শের মাধ্যমে এসব নীতি পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ।

সংগঠনটি বলেছে, তারা বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করে না। তবে কার্যকর প্রতিযোগিতা ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ছাড়া জ্বালানি খাত এক বা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত হলে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে বেসরকারি মনোপলি তৈরি হতে পারে। এতে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ নিয়ে জনদুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি সরকারের ওপরও অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের ২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ বাতিল করে পুরোনো ১১৭টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের আশঙ্কা, মূল্য নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হলে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বাড়তে পারে। এতে দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।সিটিজেন ইনিশিয়েটিভের মতে, জ্বালানি ও ওষুধ—উভয় খাতেই বেসরকারি অংশগ্রহণের পাশাপাশি কার্যকর প্রতিযোগিতা, মূল্য নিয়ন্ত্রণ, বাজার নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো ব্যবসায়ী গোষ্ঠী যাতে জনগণের মৌলিক প্রয়োজনকে জিম্মি করে অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।