দেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তাতীরবর্তী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস মিললেও আগামী দুই দিনে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার কয়েকটি জেলায় নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সিলেট ও সুনামগঞ্জের কয়েকটি এলাকাতেও সতর্কতা জারি করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। তবে গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় আপাতত বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও জেলা প্রতিনিধিরা জানান-
রংপুর : তিস্তার ডালিয়া ও কাউনিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন আতঙ্ক রয়ে গেছে।
গাইবান্ধা : জেলার নদনদীর পানি বাড়লেও সবই এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। পাউবোর মতে, আপাতত বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।
লালমনিরহাট : পানি কমলেও তিস্তাপাড়ে ভাঙনের ভয় বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিস্তার পানি বাড়লে বন্যা আর কমলে নদীভাঙন-দুই সংকটেই তাদের জীবনজীবিকা হুমকির মুখে পড়ে।
কুড়িগ্রাম : তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করায় কৃষক ও নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে নতুন করে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
নীলফামারী : তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে যাওয়ায় বন্যার শঙ্কা কেটে গেছে। প্লাবিত চর ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।
নেত্রকোনা: পাহাড়ি ঢলে নদনদীর পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। পানি ওঠানামা করায় সীমান্ত এলাকার কিছু সড়ক ও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাৎক্ষণিক বন্যার আশঙ্কা নেই।