জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি হিসেবে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম দফায় সভাপতির দায়িত্ব পান সাবেক সচিব ও বর্তমান সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদার এক উপদেষ্টা। পরে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তাকে ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নিয়োগ দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, যার মেয়াদ শেষ হয় ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর। এরপর আরও চার দফা বাড়ে তার মেয়াদ।
সর্বশেষ গত ২৬ জুলাই তাকে চতুর্থবারের মতো অ্যাডহক কমিটির সভাপতি করে নতুন কমিটি অনুমোদন দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। মৌলভীবাজারের ভুকশিমইল স্কুল অ্যান্ড কলেজেও গত দুই বছর থেকে নেই নির্বাচিত গভর্নিং বডি। প্রতিষ্ঠানটিতে দুবার সভাপতি নির্বাচিত হন স্থানীয় সমাজসেবী এনামুল ইসলাম। বাকি সময় দায়িত্ব পালন করেন স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। একই অবস্থা উপজেলার আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজেও। এই প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর দুই বছর থেকে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়নি। স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
শুধু এই তিন প্রতিষ্ঠান নয়, দেশের অধিকাংশ মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য দুই বছর ধরে নেই নির্বাচিত ম্যানেজিং (ব্যবস্থাপনা) কমিটি ও গভর্নিং বডি। দফায় দফায় অ্যাডহক কমিটি গঠন করে পরিচালনা করা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। আর অ্যাডহক কমিটি না থাকলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার বা তাদের প্রতিনিধিরা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় থমকে আছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। কারণ বাধ্যবাধকতা থাকায় তারা আর্থিক, নিয়োগসহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরও নির্বাচিত কমিটি দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেই। বরং অ্যাডহক কমিটিতে বসানো হচ্ছে দলীয় লোকজন। এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০ আগস্ট দেশের সব বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিদের অপসারণ করা হয়। ওইদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধান ২০২৪-এর ৬৮ অনুযায়ী সভাপতি পদে থাকা সবাইকে অপসারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনাররা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবেন। এর তিন মাস পর ২০ নভেম্বরে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে অ্যাডহক কমিটি কর্তৃক আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোকে অনুরোধ করা হলো। কিন্তু কে শোনে কার কথা। হাতেগোনা কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোনোটিতেই হয়নি নিয়মিত কমিটি। বরং অ্যাডহক কমিটি পুনর্গঠন হয়েছে তিন থেকে চারবার। এখনো বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন দিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।
সর্বশেষ গত রোববার দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল করেছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস এম তৌহিদুজ্জামানের স্বাক্ষর করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের গত ৩০ জুলাই জারি করা নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (দাখিল ও আলিম স্তরের বেসরকারি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি) প্রবিধানমালা, ২০২৫-এর প্রবিধি ৬৪ অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিসহ দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা (এসআরও নং ৮৯-আইন/২০২৬) অনুসারে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের পদ্ধতি ও শর্তও নির্ধারণ করে দিয়েছে বোর্ড।
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করা হয় গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে। এর মধ্যে কলেজ পর্যায়ের (উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত) পরিচালনা কমিটিকে বলা হয় গভর্নিং বডি। আর মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার কমিটিকে বলা হয় ম্যানেজিং কমিটি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড এ কমিটি অনুমোদন দেয়। অন্যদিকে স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলোর গভর্নিং বডির অনুমোদন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। কোনো কারণে নিয়মিত কমিটি করা না গেলে অথবা কমিটি বাতিল বা ভেঙে দেওয়া হলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। এ কমিটির সভাপতি হন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের মনোনীত ব্যক্তি। কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকেন একজন শিক্ষক ও একজন অভিভাবক। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সংশ্লিষ্ট একাধিকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ সীমিত হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কমিটির কোনো নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা ও চাকরিচ্যুতির ক্ষমতা না থাকায় থমকে আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আর্থিক ব্যয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। অ্যাডহক কমিটি গঠন সংক্রান্ত সর্বশেষ বিধিমালায় বলা হয়েছে, ‘অ্যাডহক কমিটি কোনোক্রমেই অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপারিনটেনডেন্ট, সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট, গ্রন্থাগারিক, সহকারী গ্রন্থাগারিক বা কোনো কর্মচারী বাছাই এবং নিয়োগ করিতে পারিবে না; আরও শর্ত থাকে যে, কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর ওপর দণ্ড আরোপের প্রয়োজন হইলে, শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি গ্রহণপূর্বক দণ্ড আরোপ করিতে পারিবে।’ বিধি অনুযায়ী, কাউকে চাকরিচ্যুত করা বা নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার নেই অ্যাডহক কমিটির।
তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব সিদ্ধান্ত মানা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, অ্যাডহক কমিটি ও বিশেষ কমিটি দেওয়ার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নানা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে নেই সভাপতির ভালো সম্পর্ক। আবার অনেক জায়গায় সভাপতি-প্রতিষ্ঠানপ্রধান মিলে করছেন নানা ধরনের লুটপাট। নিয়মিত নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণও কমে গেছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং অংশীদারত্বভিত্তিক পরিচালনা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে।
আবার অ্যাডহক কমিটিতে বেড়েছে দলীয়করণ। কমিটির সভাপতির জন্য তিনজনের নাম সুপারিশ করা হলেও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা ডিও দিয়ে তাদের পছন্দের লোকদেরই করছেন সভাপতি। বিভিন্ন সংসদ সদস্যের অন্তত ৫০টি ডিও এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
একাধিক সূত্র বলছে, অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মনোনয়নে রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান বিএনপি সরকার তাদের পছন্দের ও দলীয় লোকদের আনছে কমিটিতে। অনেক জায়গায় চলমান কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি করা হচ্ছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। আবার অ্যাডহক কমিটি গঠনে অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলার একটি স্কুলের সভাপতি প্রার্থী বলেন, আমাদের পরিবার বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছে। এবার আমি সভাপতি প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু বোর্ড আরেকজনকে সভাপতি করেছে। খোঁজ নিয়ে জেনেছি স্থানীয় এমপি তার নাম সুপারিশ করেছেন।
কয়েকজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, অ্যাডহক কমিটিতে যারা আসেন, তারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আসে। এতে জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, সভাপতিসহ অ্যাডহক কমিটি বেশিরভাগই লবিংয়ের ভিত্তিতে হয়। তিনজনের নাম এলেও স্থানীয় এমপি কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের সুপারিশকে নানা কারণে গুরুত্ব দিতে হয়। এমপি বা মন্ত্রীর পছন্দের প্রার্থীকে সভাপতি করা এক ধরনের রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরেক শিক্ষা বোর্ডের সচিব বলেন, অ্যাডহক কমিটি আমাদের কাছে বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কমিটি নিয়ে দেনদরবার ও রাজনৈতিক চাপ সামাল দিতে গিয়ে নিয়মিত কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ প্রসঙ্গে অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু কালবেলাকে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ ছয় মাস হলেও কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটি একই ব্যক্তিদের নিয়ে ফের ছয় মাস পরপর অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে স্কুল-কলেজের দখলবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। অ্যাডহক কমিটির প্রথম কাজই হলো নির্বাচনের মাধ্যমে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি গঠন করা। কিন্তু এসব অ্যাডহক কমিটি নির্বাচন করার কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অনৈতিক সহায়তায় জবরদস্তিভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে আছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে, সঠিকভাবে মনিটরিংয়ের অভাবে শিক্ষার মানের ক্রমেই অবনতি ঘটছে এবং এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকার অনুমোদিত খাতের বাইরে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে স্কুল-কলেজের ফান্ড লুটপাট করা হচ্ছে। নির্বাচন না হওয়ায় অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের কোনো জবাবদিহি নেই। তাই অচিরেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে। নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খান বলেন, অ্যাডহক কমিটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এক অশনিসংকেত। নিয়মিত ও নির্বাচিত কমিটি যদি দ্রুত গঠন না করা হয়, তার নানা প্রভাব পড়বে শিক্ষায়। এতে শিক্ষার মান যেমন কমবে, তেমনি শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে অভিভাবকদের সম্পর্ক খারাপ হবে। অ্যাডহক কমিটির ওপর কেউ আস্থা রাখতে পারে না আবার অ্যাডহক কমিটিও সাহসী ভূমিকা রাখতে পারে না। হঠাৎ কমিটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে এমন শঙ্কায় থাকেন তারা। তাই দ্রুত নির্বাচিত কমিটি দিতে হবে। এতে রাজনৈতিক লোকজনও যদি কমিটিতে আসেন, তারাও জবাবদিহির মধ্যে থাকবেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই সব অ্যাডহক কমিটি ভেঙে ১৫ দিনের মধ্যে নতুন কমিটি করতে বলা হয়েছে। এ কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়মিত নির্বাচিত কমিটি দেবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, নানা কারণে একই প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার অ্যাডহক কমিটি দেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচিত কমিটি দেওয়ার জন্য তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।