Image description

মাহজাবিন নাফিসা

টুথপেস্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেল! সম্প্রতি পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার (ইএসডিও) এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের বাজারে পরিচিত ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের চারটির মধ্যে তিনটিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। মোট ১৯ ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেখানে ২৬টিতেই অর্থাৎ ৭৭ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এতে স্বাভাবিকভাবেই অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবে আরও বড় উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, টুথপেস্ট ছাড়াও আমরা প্রতিদিন এমন অনেক বস্তু নিয়মিত ব্যবহার করি, যেগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। যেমন পানির বোতল, টিব্যাগ, খাবার রাখার প্লাস্টিকের বক্স, পানির ফিল্টার এমনকি ঘরের বাতাসও হতে পারে এর উৎস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন শুধু পরিবেশের সমস্যা নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনেরও অংশ হয়ে গেছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক কী

পাঁচ মিলিমিটারের কম আকারের প্লাস্টিকের কণাকে বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক। আর এক মাইক্রোমিটারেরও ছোট কণাগুলোকে বলা হয় ন্যানোপ্লাস্টিক।

এগুলো তৈরি হয় দুইভাবে। কিছু প্লাস্টিক খুব ছোট আকারেই তৈরি করা হয় কিছু প্রসাধনী বা শিল্পপণ্যে ব্যবহারের জন্য। আবার বড় প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেট, কাপড় বা অন্যান্য পণ্য সূর্যের আলো, তাপ, ঘর্ষণ ও সময়ের সঙ্গে ভেঙে ভেঙে ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি ইউএনইপি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একবার পরিবেশে ছড়িয়ে পড়লে এই ক্ষুদ্র কণাগুলো মাটি, পানি, বাতাস—সব জায়গায় ছড়িয়ে যেতে পারে।

টুথপেস্ট: সাম্প্রতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

সম্প্রতি ইএসডিওর গবেষণায় দেশীয় ব্র্যান্ডের কয়েকটি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়ার তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। বিশ্বের অনেক দেশ কয়েক বছর আগেই টুথপেস্ট ও ফেসওয়াশে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র দানা বা মাইক্রোবিড নিষিদ্ধ করেছে। কারণ এগুলো সরাসরি নর্দমা হয়ে নদী-সমুদ্রে চলে যায় এবং পরে খাদ্যশৃঙ্খলে ফিরে আসে। তবে সব টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে, এমন নয়। কোন ব্র্যান্ডে কী উপাদান রয়েছে, সেটি প্রস্তুতকারকের উপাদান তালিকা ও পরীক্ষাগারের বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করে।

প্লাস্টিকের পানির বোতল: সবচেয়ে পরিচিত উৎস

গরমের দিনে এক বোতল মিনারেল ওয়াটার কিনে খাওয়া বা বাসায় প্লাস্টিকের বোতলে পানি সংরক্ষণ করা এখন খুবই সাধারণ অভ্যাস। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, প্লাস্টিকের বোতল থেকে খুব সূক্ষ্ম প্লাস্টিক কণা পানিতে চলে আসতে পারে। বিশেষ করে বোতলটি যদি দীর্ঘ সময় রোদে থাকে, বারবার ব্যবহার করা হয় বা তাপের সংস্পর্শে আসে, তাহলে এই ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের গবেষণা সাময়িকী ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসে (পিএনএএস) প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, বোতলজাত পানিতে শুধু মাইক্রোপ্লাস্টিক নয়, বিপুল পরিমাণ ন্যানোপ্লাস্টিকও থাকতে পারে। তবে গবেষকেরা একই সঙ্গে বলেছেন, এগুলোর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বাকি।

প্লাস্টিকের জগ ও বোতল: বছরের পর বছর ব্যবহারে কী হয়

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই প্লাস্টিকের জগ, বোতল বা পানির ড্রাম দেখা যায়। এগুলোর অনেকগুলো বছরের পর বছর ব্যবহার করা হয়। সমস্যা হলো, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিকের গায়ে আঁচড় পড়ে, ঘর্ষণ হয় এবং ধীরে ধীরে ক্ষয় শুরু হয়। গরম পানি ঢালা, রোদে রাখা বা শক্ত ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করার মতো কাজ এই ক্ষয় আরও বাড়াতে পারে।

এর মানে এই নয় যে প্রতিটি প্লাস্টিকের জগই বিপজ্জনক। তবে পুরোনো, ফেটে যাওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত প্লাস্টিকের পাত্র নিয়মিত ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন গবেষকেরা।

টি-ব্যাগ: এক কাপ চায়ের সঙ্গে প্লাস্টিক

বাংলাদেশে টি-ব্যাগের ব্যবহার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। অফিসে, বাসায় কিংবা ভ্রমণে এক কাপ চা বানানোর সহজ উপায় এটি। কিন্তু সব টি-ব্যাগ কাগজের তৈরি নয়। কিছু টি-ব্যাগে প্লাস্টিকভিত্তিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাগটির আকৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

২০১৯ সালে কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, নির্দিষ্ট ধরনের প্লাস্টিকের টি-ব্যাগ গরম পানিতে বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিক ছাড়তে পারে। তবে এই গবেষণা সব ধরনের টি-ব্যাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিকমুক্ত টি-ব্যাগ তৈরির দিকে ঝুঁকছে। তাই টি-ব্যাগ কিনলে এর প্যাকেটে ব্যবহৃত উপাদান সম্পর্কে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

কিছু টি-ব্যাগে প্লাস্টিকভিত্তিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাগটির আকৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীতকিছু টি-ব্যাগে প্লাস্টিকভিত্তিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাগটির আকৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীত

গরম খাবার প্লাস্টিকের বক্সে রাখা কি নিরাপদ

অনেকেই রান্না করা গরম খাবার সরাসরি প্লাস্টিকের বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখেন। আবার অফিসে নিয়ে যাওয়ার জন্যও প্লাস্টিকের লাঞ্চবক্স ব্যবহার করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত তাপ প্লাস্টিকের ক্ষয় বাড়াতে পারে। বিশেষ করে মাইক্রোওয়েভে এমন প্লাস্টিক ব্যবহার করা হলে ঝুঁকি বাড়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিভিন্ন খাদ্যনিরাপত্তা সংস্থা বলছে, ‘মাইক্রোওয়েভ-সেফ’ বা ফুড গ্রেডের খাদ্যমানসম্মত প্লাস্টিক ব্যবহার করলেও খুব গরম খাবার দীর্ঘ সময় প্লাস্টিকের মধ্যে রাখা কমিয়ে আনা ভালো। কাচ বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।

ডিসপোজেবল কাপ ও ঢাকনাও হতে পারে উৎস

চা বা কফির জন্য ব্যবহৃত কাগজের অনেক ডিসপোজেবল কাপের ভেতরে খুব পাতলা প্লাস্টিকের আবরণ থাকে, যাতে তরল বাইরে না বের হয়। গরম পানীয় ঢালার সময় এই আবরণ থেকে অতি ক্ষুদ্র কণা ছাড়তে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে কয়েকটি গবেষণায়। যদিও সব কাপ একই ধরনের নয় এবং বিভিন্ন প্রস্তুতকারকের উপকরণও ভিন্ন। তবে গবেষকেরা একটি বিষয়েই একমত—একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বা প্লাস্টিক-আবৃত পণ্যের ব্যবহার যত কমানো যায়, ততই ভালো।

সামুদ্রিক মাছ ও লবণ

নদী, হ্রদ ও সমুদ্রে ফেলা প্লাস্টিক ধীরে ধীরে ভেঙে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। এসব কণা সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, ঝিনুকসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করে। বিশেষ করে ছোট মাছ বা যেসব সামুদ্রিক প্রাণী পুরোটা খাওয়া হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। যদিও মাছ পরিষ্কার করার সময় অন্ত্র ফেলে দিলে অনেক কণা বাদ পড়ে, তবু গবেষকেরা বলছেন, প্লাস্টিক দূষণ খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করেছে—এটি এখন প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক গবেষণায় এ বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে।

এ ছাড়া খাবারের লবণও আলোচনায় এসেছে কয়েক বছর আগে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমুদ্রের লবণ, হ্রদের লবণ এমনকি কিছু পরিশোধিত টেবিল সল্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। কারণ লবণ উৎপাদনের কাঁচামাল যদি দূষিত পানির সংস্পর্শে থাকে, তাহলে সেই ক্ষুদ্র কণাগুলোও থেকে যেতে পারে।

আপনার পোশাকও হতে পারে একটি উৎস

পলিয়েস্টার, নাইলন, অ্যাক্রিলিকের মতো সিনথেটিক কাপড় এখন বাংলাদেশের বাজারেও খুব পরিচিত। এসব কাপড় ধোয়ার সময় লাখ লাখ ক্ষুদ্র তন্তু পানির সঙ্গে বের হয়ে যায়। এর একটি অংশ নদী-নালা হয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে, আবার কিছু তন্তু বাতাসেও মিশে যায়।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)-এর এক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সমুদ্রে পৌঁছানো প্রাথমিক মাইক্রোপ্লাস্টিকের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে সিনথেটিক বস্ত্র থেকে নির্গত তন্তু ও গাড়ির টায়ারের ক্ষয় থেকে।

এ ছাড়া প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড, প্লাস্টিকের খুন্তি, চামচ, স্প্যাচুলা কিংবা খাবার সংরক্ষণের পুরোনো বক্স—এসবও দীর্ঘদিন ব্যবহারে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে ছুরি দিয়ে বারবার কাটাকাটি করার সময় প্লাস্টিক কাটিং বোর্ড থেকে ক্ষুদ্র কণা বের হতে পারে বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও এসব কণা মানুষের শরীরে কতটা প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে এখনো গবেষণা চলছে।

পোশাকেও মিলছে মাইক্রেপ্লাস্টিক। ছবি: সংগৃহীতপোশাকেও মিলছে মাইক্রেপ্লাস্টিক। ছবি: সংগৃহীত

শরীরে গেলে কী হতে পারে

এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মানুষের রক্ত, ফুসফুস, প্লাসেন্টা, এমনকি মস্তিষ্কের টিস্যুতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ২০২২ সালে ইতালির একটি গবেষণায় গর্ভবতী নারীদের প্লাসেন্টায় ও সদ্য মা হয়েছেন এমন নারীদের বুকের দুধে প্লাস্টিকের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কোনো কণা শরীরে পাওয়া গেছে মানেই সেটি রোগের কারণ—এমন সিদ্ধান্ত এখনো বিজ্ঞান দেয়নি। তবে অতি ক্ষুদ্রকণা শরীরে প্রবেশ করলে তা বিভিন্ন অঙ্গাণু এমনকি বুকের দুধের মাধ্যমে নবজাতকের শরীরেও প্রবেশ করতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রাণীর ওপর করা গবেষণায় প্রদাহ, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও কোষের ক্ষতির মতো কিছু সম্ভাব্য প্রভাব দেখা গেলেও মানুষের ক্ষেত্রে কত মাত্রায় ঝুঁকি তৈরি হয়, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বাংলাদেশে পরিস্থিতি কেমন

বাংলাদেশেও মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে গবেষণা বাড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় দেশের নদী, উপকূলীয় এলাকা, মাছ এবং পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য উঠে এসেছে। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলীর মতো নদীতেও প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে একাধিক গবেষণা হয়েছে।

সম্প্রতি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হওয়ার ঘটনাও দেখিয়েছে, বিষয়টি শুধু নদী বা সমুদ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; ভোক্তাপণ্যও এখন আলোচনার অংশ। এ ছাড়াও, কয়েক বছর আগে গুঁড়া দুধে মেলামাইন পাওয়ার বিষয়টিও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যাপক ব্যবহার, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার প্রবণতা এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে।

আজকের পৃথিবীতে মাইক্রোপ্লাস্টিক এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে একে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। তবে এর সংস্পর্শ অনেকটাই কমানো যায়। খাবারের ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, পুরোনো বা ‘ওয়ান টাইম’ প্লাস্টিক ব্যবহার না করা ও যথাসম্ভব প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে এনে এই ঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো যায় বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।