রাজধানীর মতিঝিলের রাস্তায় বোমা রাখার ঘটনায় জড়িত কেউ আটক হয়নি। চিহ্নিত হয়নি জড়িত কেউ। আশপাশের একাধিক সিসিটিভির ফুটেজ ধরে তদন্ত করছে পুলিশের একাধিক ইউনিট।
এ ঘটনায় মতিঝিল থানার এসআই মির্জা মোহাম্মদ মুক্তা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, শুক্রবার বিকালে উল্টো রথযাত্রার পথে বোমাটি রাখা ছিল। রথযাত্রার রুট ছিল ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে দৈনিক বাংলা- শাপলা চত্বর-ইত্তেফাক হয়ে স্বামীবাগ আশ্রম। এর মধ্যে শাপলা চত্বরের মেট্রোরেল স্টেশনের নিচের সড়কে বোমাটি বিএমডব্লিউ ছাতার মধ্যে রাখা ছিল। ভেতরে লালবাতি মিটমিট করে জ্বলছিল।
পুলিশ জানায়, ট্রাফিক সার্জেন্ট কাওসার হোসেন বিকাল ৪টায় কন্ট্রোর রুমের বেতারে প্রথম খবরটি জানান। এরপর পুলিশ সদস্যরা সেখানে গিয়ে স্থানটি ঘিরে রাখেন। আর রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের শট সার্কিট হয়েছে জানিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে বলেন। খবর পেয়ে বোম ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে পৌঁছে ৭ মিনিটে সেটি নিষ্ক্রিয় করে। রথযাত্রা শেষ হলে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় এক পথচারী আহত হয়েছেন।
এসআই মির্জা মোহাম্মদ মুক্তা বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পনা করে বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনসাধারণের জীবন বিপন্ন করতে এই বোমা রাস্তার পাশে ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা।
মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ শনিবার বিকালে টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘বোমার রহস্য উদ্ঘাটনে সব রকম চেষ্টা চলছে। এখনো কোনো কিছু নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’