বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামীকাল রোববার (২৬ জুলাই) বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন। বঙ্গভবন ছেড়ে তিনি গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত গ্রিন ভিলা নামের বাড়িতে উঠতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই বাড়ির পঞ্চম তলার ৫০২ নম্বর ফ্ল্যাটটিতে থাকতেন মো. সাহাবুদ্দিন।
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গুলশানের ওই বাড়িতে টেলিফোন লাইনসহ ঠিক করাসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে। এমনকী ওই ফ্লাটের ভিতরে চলছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ। আসবাবপত্র থেকে শুরু করে ধোয়া মোছার কাজও করতে দেখা গেছে।
ওই বাড়ির ব্যবস্থাপনায় যারা রয়েছেন তারাও সংবাদমাধ্যমকে মো. সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে ফেরার তথ্য জানিয়েছেন। তবে ঠিক কবে নাগাদ বাড়িতে উঠবেন সেটা তারাও নিশ্চিত নন।
ভবনটির প্রধান নিরাপত্তাকর্মী মো. মোস্তফা কামাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত বুধ (২২ জুলাই) ও বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বঙ্গভবন থেকে লোকজন এসে ফ্ল্যাটটির সংস্কার কাজ করেছেন। এক সপ্তাহ আগেও স্ত্রীসহ বাসাটি দেখতে এসেছিলেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। তারা ২-৩ মাস পরপরই এখানে আসতেন সকালে এলে রাত ৮টার আগেই চলে যেতেন। যখন বাসায় আসতেন- গাড়ি থেকে নেমেই আমাদের সবার খোঁজখবর নিতেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি প্রটোকল অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) ও পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা পাবেন। এক্ষেত্রে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হতে পারে।
গুলশান ১ নম্বর থেকে গুলশান ২ নম্বরমুখী সড়কে যেতে প্রথম ইউটার্ন নিলেই হাতের বাঁম পাশের সড়ক ধরে ২০০ গজ সামনে গেলেই চোখে পড়ে গ্রিন ভিলা ভবন। ছয় তলা এই ভবনের নিচতলা পুরোটাই পার্কিং। ছয় তলার চারটি ফ্ল্যাটের মধ্যে দুটি ফ্ল্যাটের মালিক সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। ৫০২ নম্বর ফ্ল্যাটে স্ত্রীসহ তিনি ও ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার ছেলে আরশাদ আদনান স্ত্রী ও দুই নাতিন থাকেন। অপর দুই ফ্ল্যাটের একটিতে জনৈক কানাডা প্রবাসী, অপরটি এক দূতাবাস কর্মকর্তার।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকে এ ভবনে তিন শিফটে এসবির একজন করে সদস্য নিচতলায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাষ্ট্রপতি বাসভবন বঙ্গভবন থেকে ফেরার পরও বাসাটি পুলিশি পাহারায় থাকবে বলে জানা গেছে।