Image description

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পাঁচজনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করেছে বিজিবি।

 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সীমান্ত পিলার ৭৬/৪-এসসংলগ্ন এলাকা দিয়ে প্রতিপক্ষ ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্পের সদস্যরা পাঁচজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে (একজন পুরুষ, তিনজন নারী ও পাঁচ বছর বয়সি এক শিশু) বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে।

 

তারা বাংলাদেশে প্রবেশের আগেই বিজিবির টহল দলের নজরে আসে। বিজিবি সদস্যরা তৎক্ষণাৎ অনুপ্রবেশে বাধা দেন এবং তাদের কাঁটাতারের বেড়াসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

 

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান জানান, সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

 

এদিকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে আবারও কয়েকজনকে বিএসএফ ‘পুশইন’ করেছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর তারা আত্মগোপনে চলে যান।

 

অভিযোগ উঠেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে জীবননগর সীমান্তের ওপারে ভারতের মাটিয়ারি (অনুপ্রবেশকারীদের দাবি অনুযায়ী পাটোয়ারি) সীমান্ত এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। সকালে তাদের জীবননগর উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।

 

অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে খুলনা জেলার দুই ভাই আমিনুর রহমান ও খলিলুর রহমান জানান, দুই বছর আগে জীবিকার সন্ধানে ভারতে গিয়েছিলেন তারা। সকালে তাদেরসহ মোট সাতজনকে পুশইন করে বিএসএফ। বাংলাদেশে ঢোকার সময় বিজিবি বা পুলিশের মুখোমুখি হতে হয়নি তাদের। তবে বাকি পাঁচজন কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম জানান, পুশইনের বিষয়ে বিজিবির কাছে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য নেই। তাছাড়া ‘পাটোয়ারি’ নামে কোনো সীমান্ত জীবননগরের আশপাশে নেই। তবে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।