রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে দেওয়া নগদ সহায়তা দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাক সুবিধার পরিবর্তে এতদিন ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হতো। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ সহায়তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ সুবিধা পেতে রপ্তানিকারকদের (বিজিএমইএ, বিকেএমইএ বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য) প্রণোদনা গ্রহণের আগে দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল—বিশেষ করে সুতা ও কাপড় সংগ্রহের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় আড়াই বছর আগে স্থানীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হতো। তবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তা কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়। পরে ছয় মাসের ব্যবধানে সহায়তার হার আরও কমিয়ে দেড় শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। একই সঙ্গে এই নগদ সহায়তার ওপর ৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়। এরপর থেকেই স্থানীয় সুতার পরিবর্তে আমদানিনির্ভর কাঁচামালের ব্যবহার বাড়তে শুরু করে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।