Image description

গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার সহযোগীরা যতই বলুক দেশে ফিরবে, বাস্তবে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নাই মন্তব্য করে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এই খুনিদের অনেকের মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে কিংবা হবে। যেহেতু ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, সেই চুক্তি অনুযায়ী সব খুনিদের ফিরিয়ে আনা হবে।

 

রোববার (১২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

 

আবু হানিফ ওই পোস্টে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল খুনি শেখ হাসিনা। ভারতে পালতক থেকে বিভিন্ন সময় বিদেশি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছে। গত কিছুদিন আগে রয়টার্সকে বলেছে— আগামী ডিসেম্বর দেশে ফিরবে। আগামী ডিসেম্বর বলতে কত সালের ডিসেম্বর সেটা পরিষ্কার করেনি। তবে বাস্তবতা বলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার নেতৃত্ব দেওয়া খুনি হাসিনা দেশে ফিরবে না। বরং এসব বক্তব্য দিয়ে নিজেকে আলোচনায় রাখা ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের চাঙা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু শেখ হাসিনা নয়, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও পালিয়ে ভারতের আশ্রয়ে আছে।

 

খুনি হাসিনা দেশে ফিরবে না, তাকে বিচারের আওতায় আনার জন্য ফেরানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তাদের নিবন্ধনও স্থগিত রয়েছে। ফলে নিষিদ্ধ দল কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না।

 

আবু হানিফ বলেন, এই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মী জুলাই গণহত্যায় জড়িত ছিল। সেই গণহত্যার বিচার চলমান রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা নিয়ে জাতিসংঘের তদন্ত কমিটি বলেছে, আওয়ামী লীগ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। সুতরাং এই বিচারিক প্রক্রিয়া আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলেও মন্তব্য তিনি।