Image description

দেশে যারা ঘৃণ্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে, তাদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করার কোনো উদ্যোগ জনগণ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়াও একটি ভুল সিদ্ধান্ত। এটি বিএনপির জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের ‘আলাপন’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

 

ডা. ইরানের মতে, আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে এ দেশকে আয়না ঘর ও লাশের ঘরে পরিণত করেছিল। জুলাই অভ্যুত্থানে প্রায় ১৪০০ মানুষকে হত্যার পরও তাদের মধ্যে কোনো অপরাধবোধ নেই। দলটির কোনো নেতাকর্মী জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। এমন একটি ফ্যাসিবাদী দলের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। অথচ আমরা উদ্বেগের সঙ্গে দেখছি যে, বিএনপির কোনো কোনো নেতা আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিচ্ছেন। এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত।

 

বর্তমান সরকারের কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করে ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, সরকারের ১০০ দিনে অর্জন যেমন আছে, বিসর্জনও কম নয়। তারা জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে। পত্রিকায় এসেছে সরকারের ১০০ দিনে ১০৮৪ জন মানুষ খুন হয়েছেন, ধর্ষণের সংখ্যাও উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলছে। সরকার বলেছিল দুই বছর বিদ্যুতের দাম বাড়াবে না, কিন্তু তারা কথা রাখেনি।

 

আইনশৃঙ্খলার এই নাজুক পরিস্থিতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করে তুলছে বলেও অভিমত ডা. ইরানের।