Image description

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। অবেরোধে আসা সোহেল হোসেন জুবেরি নামে এক যুবক এশিয়া পোস্টকে জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে তার প্রেমিকা তাকে ব্রেকআপের হুমকি দিয়েছেন।

বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে সোমবার (২৯ জুন) রাত ৮টা থেকে জামালপুর সদরের শরিফপুর বাজার সংলগ্ন মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। বন্ধুদের সঙ্গে অবরোধে এসেছেন সোহেল হোসেন জুবেরি। তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে দাবি নিয়ে আমিও এসেছি। আমার গার্লফ্রেন্ড বলছে, ২ তারিখে তার এইচএসসি পরীক্ষা। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে তোমার সাথে ব্রেকআপ করব। আমি দাবি নিয়ে আসছি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেন বিদ্যুৎ দেওয়া হয়।’

স্থানীয়রা জানান, তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে আজ এলাকাবাসী শরিফপুর বাজারে (জামালপুর-ময়মনসিংহ) মহাসড়কের ওপর গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহন চলাচল আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকেরা।

খবর পেয়ে প্রশাসন ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত লোডশেডিং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে রাত প্রায় ১০টার দিকে অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা। এতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জামালপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ও সদর উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হালিম বলেন, ‘তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে স্থানীয়রা প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় আমরা ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীদের আশ্বস্ত করলে অবরোধ প্রত্যাহার করেন তারা।’

এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পরে স্থানীয় নেতা ও অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। অবরোধকারীরা সড়ক ছেড়ে দিলে রাত ১০টার পর যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়।’