Image description

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল এলাকায় লাশ নিয়ে বাণিজ্যে সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সিএমএম) নির্দেশে রোববার পাঁচলাইশ মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

 

 

মামলায় সুনির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ করা না হলেও লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটে জড়িত ২০-৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। তদন্তে জড়িতদের নাম বের হয়ে আসবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

জানা গেছে, লাশবাহী গাড়ি থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও রোগীদের জিম্মি করার প্রতিবাদ করলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের সদস্যরা। গত ৭ জুন একটি মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন।

 

মানবতাবিরোধী ও অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি এবং মৃত ব্যক্তির লাশ নিয়ে ব্যবসার এহেন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এজিএম মনিরুল হাসান সরকার। তিনি জনস্বার্থে এবং চমেক হাসপাতাল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও চিকিৎসাসেবার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করেন।

 

আদেশে চমেক হাসপাতাল চত্বরে রোগী ও লাশ পরিবহণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, বাইরের বৈধ গাড়ি প্রবেশে বাধা দেওয়া, চালকদের প্রাণনাশের হুমকি, মারধর এবং ফিটনেসবিহীন মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে চালিয়ে গণপ্রতারণার ঘটনা সরজমিনে তদন্তের জন্য সিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারকে (উত্তর) নির্দেশ দেন।

 

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাসান মোস্তফা স্বপন ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (পাঁচলাইশ জোন) সোহেল পারভেজ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পান। তারা বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং জাস্টিস অব দ্য পিসের আদেশের আলোকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়।