Image description

দেশে সক্রিয় ২৬৮টি অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এসব ওয়েবসাইট বন্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহৃত ২ হাজার ২২১টি ব্যাংক হিসাব নম্বরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান।

তিনি বলেন, সিআইডির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসি ইতোমধ্যে কয়েকটি ওয়েবসাইট বন্ধ করেছে। বাকি সাইটগুলোর বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, মে মাস থেকে অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চারটি মামলা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় রোববার ও সোমবার নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন– রায়হান খান, পাভেল রহমান ভূইয়া ও আবু জোবায়ের সানি। রায়হান ও পাভেলকে নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর এলাকা থেকে এবং সানিকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি জানায়, নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ জমা দেওয়া হতো। জমার বিপরীতে ব্যবহারকারীদের জুয়ার অ্যাকাউন্টে ভার্চুয়াল ব্যালেন্স যুক্ত করে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহার করা হতো। চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্থানে এজেন্ট নিয়োগ করে তাদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে জুয়ার সাইটে ব্যবহার করত। কমিশন কেটে রেখে বাকি অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।