শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।
তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে এবং আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্টার্ট-আপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আমরা আগে যে ধরনের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করেছি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সেটির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত ইনোভেশন, স্টার্ট-আপ এবং প্রজেক্ট বেইজড। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। প্রদর্শনীতে ৬ কলেজসহ উপজেলার মোট ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার মোট ২৯ প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।
প্রজেক্ট প্রদর্শন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয়েছে রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় হয়েছে গুলবাহার সরকারি টেকনিকেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।