বাংলাদেশ ও ভারত দুটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়লে তা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তিতেও রূপ নিতে পারে।’ এ মন্তব্য করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী।
পুশইন ও সীমান্ত উত্তেজনা প্রসঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। আমার তো মনে হচ্ছে না, আমি বাংলাদেশে এসেছি। ভারতের ১৪০ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি-এ ১৬০ কোটি মানুষের জন্য যা ভালো হয় সেটাই করা হবে। দুই দেশের জন্য ভালো হয় সেই পদক্ষেপ সামনের দিনে নেব।’
গতকাল সড়কপথে ঢাকায় এসেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। দুপুরে যশোরের বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে সড়কপথে ঢাকায় আসেন। বাংলাদেশে পা রেখেই ভিসাসহ দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন জটিলতার সমাধানে পথ খোঁজার কথা বলেছেন নতুন হাইকমিশনার। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত এক হয়ে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হবে।’ বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছালে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা নতুন হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। এ সময় বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন, ডেপুটি চিফ অব প্রোটোকল আরিফ মোহাম্মদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সরোয়ার মোহাম্মদ শাহরিয়ার খান, ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন কুমার তুলসীদাস বাধে, সেকেন্ড সেক্রেটারি গৌরব আগরওয়াল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। গতকাল যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান নতুন হাইকমিশনার। ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর বিবেচনায় রয়েছে এবং এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে সবাই সন্তুষ্ট হয়। পাশাপাশি তিনি দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। সাবেক হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত দিনেশ ত্রিবেদী একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তাঁর নিয়োগকে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।