Image description

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) মুহিবুল্লাহিল বাকীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে দৈনিক কালবেলা আজ ৭ জুন “ইফার নতুন ডিজি মুহিবুল্লাহর ভয়াভহ প্রতারণা-জালিয়াতি” শিরোনামে লিড স্টোরি (পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদন) প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনটি কালবেলার ই-পেপারে পাওয়া গেলেও কালবেলার ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রতিবেদনটি কোনো রকম ব্যাখ্যা ছাড়াই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। গুগলে্র সার্চ ইনডেক্সে প্রতিবেদনটি দৃশ্যমান হলেও লিঙ্ক থেকে প্রতিবেদনটি মুছে ফেলা হয়েছে।

 

সরিয়ে ফেলা প্রতিবেদনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মহাপরিচালক (ডিজি) মুহিবুল্লাহিল বাকীর বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জালিয়াতি, পদবি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বছরের পর বছর হজের সরকারি সুবিধা ভোগের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। 

এছাড়াও, প্রতিবেদনে মুহিবুল্লাহিল বাকীর বিভিন্ন শিক্ষা সনদ ও অন্যান্য কাগজপত্র, একাধিক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন, সরকারি চিঠি, আদালতের নথি এবং বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত পত্রিকার সংবাদ ঘেঁটে অসঙ্গতি, অমিল ও জালিয়াতির প্রমাণ উল্লেখ করা হয়েছে।

মুহিবুল্লাহিল বাকীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এর আগে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আওয়ার বাংলাদেশ নামে একটি সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদন দেখুন এখানে

কালবেলা প্রতিবেদনটি অনলাইন থেকে সরিয়ে ফেললেও এ ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি কালবেলা কর্তৃপক্ষ।

বিস্তারিত জানতে দৈনিক কালবেলা সংশ্লিষ্ট একজনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডিসেন্টকে জানান, “এই প্রতিবেদনে কোনো সমস্যা নেই। তবে মুহিবুল্লাহিল বাকীর সাথে মালিকপক্ষের খাতির (ভালো সম্পর্ক) থাকায় প্রতিবেদনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।“

দৈনিক কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মার কাছে জানতে চাইলে তিনি দেশের বাহিরে রয়েছেন এবং এ ব্যাপারে কিছু জানেননা বলে দ্য ডিসেন্টকে জানান।

বিস্তারিত জানতে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

বার্তা সম্পাদক এসআই শরীফ দ্য ডিসেন্টকে জানান, “প্রতিবেদনে কোনো সমস্যা নেই। তবে পত্রিকার ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিবেদনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।“

উল্লেখ্য, কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন সন্তোষ শর্মা এবং পত্রিকাটির প্রকাশক শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নুরুদ্দিন আহাম্মেদ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।