Image description

চীন সরকারের আমন্ত্রণে দেশটি সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ২০ তরুণের একটি প্রতিনিধি দল।

গত ১৪ মে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাঠানো এক চিঠিতে এ আমন্ত্রণ জানান।

সফরটি আগামী ৪ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

 

সম্প্রতি চীনা দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

তালিকায় স্থান পাওয়া ছাত্রনেতারা হলেন– মো. মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া, খন্দকার এনামুল হক, শরীফ উদ্দিন, গালিব হাসান প্রীতম, আরাফাত বিল্লাহ খান, মেহেদী হাসান জুয়েল, শ্যামল মওলা, জহিরুল ইসলাম, এ বি এম ইজারুল কবি, মো. মঞ্জুরুল আলম, আবিদুল ইসলাম খান, শেখ তানভীর বারী হামিম, আব্দুর রশিদ, আইয়ুবুর রহমান, শ্রাবণী আক্তার, নওশীন নাহার, সেলিমা বিনতে তারিন, তানজিলা হোসেন, রাবেয়া তাশিন মৌ ও জান্নাতুল নওরীন উর্মি।

জান্নাতুল নওরীন উর্মি

এদিকে, দলের পক্ষে এমন আন্তর্জাতিক সফরের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাসিত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সম্পাদক জান্নাতুল নওরীন উর্মি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে দলের পক্ষে এই সফরে অংশ নিতে পারা আমার জন্য গর্বের। উন্নয়ন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে চীনের অভিজ্ঞতা কাছ থেকে জানার সুযোগ ভবিষ্যতে কাজে লাগবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

নওরীন বলেন, বর্তমান বিশ্বে তরুণ নেতৃত্বকে আন্তর্জাতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হয়। এই সফরকে আমি সেই অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছি।

এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লেখা এক চিঠিতে ছাত্রনেতাদের চীন সফরের প্রস্তাব করেন। চিঠিতে বলা হয়, সফরকালে প্রতিনিধি দলটি চীনের চংকিং ও সাংহাই শহর পরিদর্শন করবে। সেখানে তারা উৎপাদনশীল শক্তির বিকাশ, উন্নয়ন, উচ্চপর্যায়ের উন্মুক্তকরণ, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন এবং তৃণমূল প্রশাসনসহ চীনের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও অর্জন সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তারা চীনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গবেষক এবং খ্যাতনামা থিংক ট্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। 

এক্ষেত্রে বিমান ভাড়া, স্থানীয় আবাসন ও যাতায়াতসহ সফরের সব ব্যয়ভার বহন করবে চীন সরকার।