Image description

নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণীর এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই কিশোরী। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।

আজ সোমবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তরা উপজেলার বনপাড়া পৌর শহরের মালিপাড়ার বাসিন্দা। 

জানা যায়, ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন অভিযুক্ত পিতার ছেলে আরিফুল। গত ৭ মাস ধরে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরইমধ্যে বাবা পিতা বিষয়টি জানতে পারেন। তিনিও মেয়েটিকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। রাজি না হলে সবাইকে বলে দেওয়ার ভয় দেখান। পরে ওই কিশোরী ভয়ে তার সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়।

গত বুধবার (২০ মে) মেয়েটি অসুস্থবোধ করলে পরিবারকে জানায়। তারা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরীক্ষায় জানা যায় ওই সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

বিষয়টি নিয়ে খুব গোপনে ওই দিন রাতেই সালিস বৈঠকে আরিফুলের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা কাবিন এবং তিন শতক জমি লিখে দেওয়ার বিনিময় বিয়ে হয়। পরে ওই কিশোরীর পরিবার জানতে পারে, এই বিয়ে শরিয়ত ও আইন মতে বৈধ নয়।

শনিবার রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় বাবা-ছেলের নামে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে দুজনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, ভুক্তভোগী ধর্ষণের বিষয়টি নিজে জানিয়েছে। মেয়েটির ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে। টেস্টের রিপোর্ট এলে সত্যতা জানা যাবে।