বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া এখন শেষ ধাপে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ১৫ মে’র মধ্যেই লাল-সবুজের ডাগআউটের নতুন দায়িত্বশীলের নাম ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
রোববার (১০ মে) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে কথা বলেন বাফুফে সভাপতি।
কোচ নিয়োগের সময়সীমা নিয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা বিশ্লেষণ করে ১১ জনকে অনলাইন ইন্টারভিউতে ডেকেছিলাম।
তিনি আরও জানান, পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও কার্যকর রাখতেই এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষ নিজেদের বিকল্প খোলা রেখেছে।
উচ্চ পারিশ্রমিকের কোচ আনতে হলেও বাজেট বড় কোনো সমস্যা হবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন বাফুফে সভাপতি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি নির্দিষ্ট বাজেট আছে। সেই সীমার মধ্যে যদি সম্ভাব্য কোচের সঙ্গে সমঝোতা হয়ে যায়, তাহলে ভালো। আর যদি বাজেট বাড়ানোর প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা স্পন্সরদের সঙ্গে কথা বলব। পাশাপাশি কিছু ডোনার সংস্থা এবং মাননীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।’
তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে বাফুফেই নেবে, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় থাকা কোচ ব্রুনো মিচেলের অন্য ক্লাবে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়েও কথা বলতে চাননি তাবিথ। কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ না করলেও তিনি জানান, বাফুফে এখন প্রতিটি প্রার্থীর সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করছে।
তার ভাষায়, ‘আমরা কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ডে আটকে নেই। বরং কোচদের নিজস্ব আইডিয়া এবং আগামী দুই বছরে বাংলাদেশ দলকে কোথায় নিয়ে যেতে পারবেন, সেটিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।’
শুধু ফিফা র্যাঙ্কিং উন্নতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ফুটবল দর্শন ও পরিকল্পনার বিষয়টিকেও অগ্রাধিকার দিচ্ছে দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাবিথ বলেন, ‘আমরা কোচদের সঙ্গে আমাদের ভিশন শেয়ার করেছি। কে আমাদের পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন, কিংবা কে আরও ভালো বিকল্প চিন্তা দিতে পারেন, সেটিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। আগামী দুই বছর নিয়ে আমরা খুবই ওপেন-মাইন্ডেড।’