কদমতলীর সাদ্দাম মার্কেট এলাকায় বিদ্যুতের সমস্যা ছিল। তখন বিদ্যুতের লোকজন এসে কাজও করেছিল। পরে কারখানায় বিদ্যুতের লাইন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
কদমতলীর দক্ষিণ মাতুয়াইল সাদ্দাম মার্কেট এলাকার এন এস ফোম ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণের পর শুক্রবার (৮ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে ফায়ার সার্ভিস ঢাকার সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান এসব কথা বলেন।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এখানে বৈদ্যুতিক সমস্যা ছিল। পরে বিদ্যুতের লোকজন আসছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী- ফ্যাক্টরির লাইন চালু করার পরপরই ভেতরের সার্কিটগুলোতে আগুন লেগে যায়। পরে পুরো কারখানায় আগুন লেগে যায়।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারখানার বাইরে কেমিক্যালের ড্রাম ছিল। কেমিক্যালে কোনো আগুন ধরে নাই। শুধু ফোমেই আগুন লেগেছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষতক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা নজমুজ্জামান।
নজমুজ্জামান বলেন, এন এস ফোম ফ্যাক্টরিতে ৬টা ২৪ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পাই। সঙ্গে সঙ্গে কাঁচপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট রওনা দেয়। আগুনের ভয়াবহতা দেখে আমরা পরে আরও দুটি ইউনিট পাঠাই।
তিনি বলেন, ফ্যাক্টরির পাশে আমরা একটি পুকুর পেয়েছি। পুকুরে অনেকগুলো পাম্প সেট করে আমরা চারপাশে বেড়িকেড দিয়েছি। যাতে আশে পাশের দোকানগুলোতে আগুন না ছড়াতে পারে।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা কাজী নজমুজ্জামান বলেন, সেমি পাকা দুটি ভবনে আগুন ছিল। একটি ভবনের আগুন আমরা খুব দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। আরেকটি সেমি পাকা ভবনের উপরের টিনগুলো পড়ে যাওয়ার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে একটু বেশি সময় লেগেছে।
তিনি বলেন, ওই ফ্যাক্টরিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত ফোমগুলো এনে রিসাইকেলিং করে ম্যাটারিয়ালস তৈরি করা হতো।
ঘটনাস্থলে আসতে বিলম্বের কারণ জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, কোথাও কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে আমরা আধা মিনিটের মধ্যেই স্টেশন থেকে রওনা দিই। কিন্তু রাস্তায় যানজট থাকলে আমাদের কিছু করার থাকে না।
তিনি বলেন, যেহেতু এটি ফোমের কারখান ছিল এবং ভেতরে ফোমগুলো থাক করে রাখা ছিল। যার কারণে এখানে প্রচুর হিট হয়েছিল। হিটে আমাদের একজন ফায়ার ফাইটার কিছুটা অসুস্থ হয়েছেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, সুস্থ আছেন।