Image description

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) বাজেট দিলেও আটকে যাচ্ছে ট্রেজারার স্বাক্ষর না দেওয়ায় এমন মন্তব্য করেছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি বলেন, শনিবারে বাস সার্ভিস আজ পরিবহন সম্পাদক দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন। পরিবহন সম্পাদক দৌড়াদৌড়ি করে ইউজিসি থেকে একটা বাজেট নিয়ে এসেছেন। ফাইল পড়ে আছে ট্রেজারারের অফিসে। ট্রেজারারের স্বাক্ষর পেলেই ব্যাপারটা উপাচার্যের টেবিলে উঠবে।  আজ বুধবার (৬ মে) নিজের ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

পোস্টে তিনি লেখেন, ডাকসুকে ব্যর্থ প্রমাণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ/ট্রেজারার মরিয়া কথাটা অনেকাংশে মুখে মুখে প্রচারিত। ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব কমই ট্রেজারারের মুখোমুখি হয়েছি। প্রশাসনের বড় দায়িত্বশীল হিসেবে আচরণে ভালো হবেন এটাই প্রত্যাশার। একজন ব্যক্তি তার রাজনৈতিক মতাদর্শ, চয়েজ ইত্যাদির জায়গা থেকে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব নাও রাখতে পারে। কিন্তু, আজ স্যারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে আমি অবাক হয়েছি। ‘কাজ আটকে রাখা বা বাধা দেয়া’ এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এক জিনিস নয়। 

তিনি আরও লেখেন, না, উনি কিছুতেই সাইন করবে না। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটির দিন বলে আদতে কিছু হয় না, বিভিন্ন সেমিনার-প্রোগ্রাম-গ্রুপ টাস্ক লেগেই থাকে, যারা দূর দুরান্তে থাকে তাদের জন্য শনিবারে বাস সার্ভিস চালুর ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাইন না করার ক্ষেত্রে তার যুক্তি, ‘এটা দুই বছর চলবে। এরপর শনিবারে বাস চালু রাখার টাকা কে দিবে? সেই গ্যারান্টি আগে নিয়ে আসো, নাহলে আমি সাইন দিব না।’ 

ডাকসুর এ কার্যনির্বাহী সদস্য লেখেন, ফাইল ট্রেজারারের টেবিলেই ছিল। কিন্তু না তিনি সাইন করবেন না। নেগেটিভ ফিডব্যাক দিয়ে কাগজটা পাঠাবেন, কখন ফিডব্যাক পেতে পারি প্রশ্নের উত্তরে তার জবাব, ‘আমি আমার অফিস কি তোমার কথায় চালাব?’ অসহযোগিতা করতেই পারেন কিন্তু অপমান করার অধিকার আপনার নেই স্যার! ছাত্রের সাথে পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করার এই ইম্যাচুরিটি ছাড়ুন, দায়িত্বশীল আচরণ করতে শিখুন।