Image description

দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, বিদ্যমান যমুনা সেতু চার লেনের হওয়ায় প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ রয়েছে। বর্তমানে তিনটি সম্ভাব্য অ্যালাইনমেন্ট নিয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। এর মধ্যে বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ, গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জসহ অন্যান্য উপযুক্ত করিডর বিবেচনায় রয়েছে।

একই অধিবেশনে তিনি আরও জানান, বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর ব্যয় বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয় চারবার, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ব্যয় দুইবার এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয় একবার বাড়ানো হয়েছে। এসব প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে।

সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০ অনুযায়ী দেশের মহাসড়কগুলো ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হবে। এর আওতায় ২০৪০ সালের মধ্যে ৪৯৬.৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেনে এবং ১০২ কিলোমিটার মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)-এর আওতায় বাস্তবায়নাধীন মেট্রোরেল প্রকল্পগুলো ফাস্টট্র্যাক হিসেবে এগোচ্ছে। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ (নর্দার্ন ও সাউদার্ন রুট) উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া ঈদসহ বিশেষ সময়ে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সরকার নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শীর্ষনিউজ