এক দিনে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৩ টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে চারটি জাহাজ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জাহাজ চারটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চারটি জাহাজের মধ্যে তিনটি ১ লাখ ৮ হাজার টন ডিজেল এবং অন্যটিতে ২৭ হাজার ৩৬৩ টন মোগাস অয়েল আমদানি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার যে চারটি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে এসেছে, সেগুলো হলো- এমটি ওকট্রি, এমটি কেপ বনি, এমটি লিয়ান সং হু এবং এমটি ন্যাব চিলো। চারটি জাহাজের মধ্যে এমটি ওকট্রি জাহাজে করে মালয়েশিয়া থেকে ৩৩ হাজার টন ডিজেল, এমটি কেপ বনি জাহাজে একই দেশ থেকে আরও ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং এমটি লিয়ান সং হু জাহাজে করে ভারত থেকে ৪২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়। এমটি ন্যাব চিলো নামের অপর জাহাজটিতে করে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩৬৩ টন মোগাস অয়েল আমদানি করা হয়।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এবং রবিবার (১৯ এপ্রিল) জ্বালানি নিয়ে আরও দুটি বন্দরে আসার কথা রয়েছে। দুটি জাহাজের মধ্যে এমটি লোবিটো নামের একটি জাহাজে এলএনজি। এমটি গোল্ডেন হরিজন নামের অপর জাহাজটিতে করে মালয়েশিয়া থেকে ৩৩ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে।
এ নিয়ে গত সাত দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে ৯টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। ৯টি জাহাজের মধ্যে চারটিতে ডিজেল, দুটিতে এলপিজি, একটিতে এলএনজি, একটিতে জেট ফুয়েল এবং একটিতে মোগাস অয়েল আমদানি করা হয়।
এর আগে সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল রাতে ৩২ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজ। এ নিয়ে ১৪ এপ্রিল থেকে সব মিলিয়ে ডিজেল এসেছে ১ লাখ ৪০ হাজার টন ডিজেল। এই ডিজেল দিয়ে ১২ দিনের চাহিদা পূরণ হবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা সাড়ে ১২ হাজার টন। সেই হিসাবে, ১ লাখ ৪০ হাজার টন ডিজেলে চাহিদা মিটবে প্রায় ১২ দিনের। এর বাইরে ১৯ এপ্রিল আসবে আরও ৩৩ হাজার টন ডিজেল। এই ডিজেলগুলোতে চাহিদা মিটবে আরও তিন দিনের। এই হিসাবে এক সপ্তাহের মধ্যে পাঁচ জাহাজে আমদানি করা ডিজেলে চাহিদা মিটবে প্রায় ১৫ দিনের।