ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চেয়ে বেশি কর দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন উপস্থাপক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। তিনি বলেন, ‘আমি এখন একদম দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে পারি আজকে যদি করের ফাইল আমারটা আর তারটা পাশাপাশি রাখে আমি তার চেয়ে বাংলাদেশে বেশি কর দিয়েছি।’
আজ বুধবার কালের কণ্ঠে বৈশাখী আড্ডায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। আড্ডায় ড. ইউনূসের সময়কালে কালের কণ্ঠের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন আব্দুন নূর তুষার।
ড. ইউনূসের সমালোচনা করে আব্দুন নূর তুষার বলেন, “তিনি নিজের নোবেল পুরস্কার, গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ব্যাংকের কর মাফ করিয়েছেন। তিনি কর দিতে চান না। তার একটা বই আছে সোশ্যাল বিজনেস, সেখানে লিখেছেন ‘সোশ্যাল ব্যবসা করলে কর দেবে কেন।’ তিনি ভুলে গিয়েছেন সাধারণ মানুষ উন্নয়নে অংশ নেয় একমাত্র করে অংশ নিয়ে।
কালের কণ্ঠের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এই কম্পাউন্ডের মধ্যে ৩-৪টা ইউনিভার্সিটি আছে। জেন-জিরা আপনাদের ঘাড়ের কাছে থাকে। কিন্তু আপনারা এই পত্রিকাটাকে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করতে দিয়েছেন, কথা বলেছেন। যেটা আমার কাছে ভালো লেগেছে।
যেকোনো ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যাওয়া মানেই বাংলাদেশের সঙ্গে জড়িত সব কিছুর বিপক্ষে চলে যাওয়া বলে মন্তব্য করেন আব্দুন নূর তুষার। তিনি বলেন, ‘পত্রিকা আসলে কারো পক্ষে বিপক্ষে থাকে না। আসলে এই যে একটা টার্ম, সেট করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং যুদ্ধের বিপক্ষে, আসলে মুক্তিযুদ্ধ কার পক্ষে? মুক্তিযুদ্ধ তো বাংলাদেশের পক্ষে।’
আব্দুন নূর তুষার বলেন, ‘আমাদের বিবেচনা করতে হবে এই পলিটিক্যাল টার্মটা না বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ আর বিপক্ষ না বরং বাংলাদেশের পক্ষে এবং বিপক্ষ। ফলে যেকোনো ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের আগে বা পরে অথবা যেকোনো সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে চলে যাওয়া মানেই হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে জড়িত যা কিছু—তার বিপক্ষে চলে যাওয়া।