সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, “সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের কারণ তার কাছে দুপুর পর্যন্ত স্পষ্ট ছিল না। পরে জানা যায়, লালবাগের একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা রয়েছে, এই ছয়টা মামলার মধ্যে তিনটা তদন্ত শেষ হয়েছে এবং তিনটার তদন্তেই ফাইনাল রিপোর্ট বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়নি।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে মাসুদ কামাল এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘একজন স্পিকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের হত্যার অভিযোগ অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। কারণ স্পিকারের প্রশাসনিক ক্ষমতা এমন নয় যে তিনি সরাসরি কোনো হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার নির্দেশ দিতে পারেন।
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না—সে প্রশ্নও উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি সরকারের জন্য ইতিবাচক বার্তা নাও দিতে পারে, বরং দেশে-বিদেশে এটিকে রাজনৈতিক গ্রেপ্তার হিসেবে দেখা হতে পারে। অতীতে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ ছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর সময় পূর্ববর্তী স্পিকারই সভাপতিত্ব করেন, যতক্ষণ না নতুন স্পিকার নির্বাচিত হন। এমনকি পদত্যাগ করলেও এই দায়িত্ব তার ওপর বর্তায়। কিন্তু সংসদের প্রথম অধিবেশনের সময় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে।’