ভোলার পৌরসভা মহিলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোলার আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ দেওয়া হয়।
তবে কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হলো, কার নির্দেশে এসব করা হলো তার নাম প্রকাশ করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, এখানে মুক্তির প্রশ্ন না। প্রশ্ন হলো, কেন গ্রেপ্তার করলেন? কোন আইনে করলেন? ৫৪ ধারা এখানে প্রযোজ্য না। উপরের কার নির্দেশে করলেন? তার নাম আমরা জানতে চাই। তার নাম প্রকাশ করুন। শাস্তি দিন।’
এদিকে জামায়াতের ওই নারী কর্মীর মুক্তির বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।’
এর আগে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসা থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতে উপস্থাপন করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন শাখার উপপরিদর্শক জুয়েল হোসেন খান আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন পোস্ট করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইবার প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি শনাক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। তাদের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার ব্যবহৃত ‘রেডমি নোট ৯’ মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ফোনটির বিস্তারিত পর্যালোচনা তখনই সম্ভব হয়নি। তবে ফেসবুক পোস্ট ও ডিভাইস বিশ্লেষণ শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
