বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১৮তম নিবন্ধনের সুপারিশবঞ্চিতদের সুখবর জানিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এ নিবন্ধনের প্রাপ্ত প্রার্থীরা শুধুমাত্র বঞ্চিত নন, বরং অতিরিক্ত সুবিধাও পাচ্ছেন।
দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, '১৮ নিবন্ধনে সুপারিশ প্রাপ্তদের মধ্যে অধিকাংশ নিয়োগ পেয়েছে। আমরা সাধারণ একটা নিবন্ধন পরীক্ষার পর আর একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকি। এই প্রত্যেকটা নিবন্ধনের পর একটা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হয়ে থাকে। সকল নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একমাত্র ১৮তম ক্ষেত্রেই ষষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হলো। রেগুলার বিজ্ঞপ্তি। ষষ্ঠের পরে আবারো সপ্তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হলো। নিয়মের ব্যত ঘটিয়ে, তাদেরকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হলো। কেন এই বিশেষ সুবিধা, ইতিমধ্যেই আমাদের পরীক্ষার সিলেবাস পরিবর্তন হয়েছে, মার্কের ডিস্ট্রিবিউশনও পরিবর্তিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের কারণে তাদেরকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে। এর মানে শুধুমাত্র তাদের নিয়োগের জন্যই নয়, সপ্তম নিয়োগ সুপারিশ আলাদাভাবে শূন্য পদ নিয়ে নতুন করে এই নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সুতরাং তাদের বঞ্চিত তো নই বরং তারা ডাবল বেনিফিটেড।'
তিনি আরও বলেন, 'অন্য যারা ১৫তম, ১৬তম, ১৭তম নিবন্ধনে ছিলেন, তারা প্রতিবার একটি করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছেন। কিন্তু ১৮তমের পরে আমাদের দুটো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এদিক থেকে তাদেরকে ডাবল সুযোগ দেয়া হয়েছে। এটা বলার কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয়ত, ডেভলপড কন্ট্রিতে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ একটি প্রি-কোয়ালিফিকেশন। তার মানে কিন্তু তারা শিক্ষক নন। নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কমিটি বা এনটিআরসির পক্ষ থেকে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত তারা শিক্ষক নন। এ ধরণের প্রক্রিয়া সারা বিশ্বে স্বাভাবিক। শতভাগ সার্টিফিকেটধারীকে নিয়োগ দেয়া হয় না। তাই আমাদের পক্ষ থেকে তারা বঞ্চিত নন বরং ডাবল বেনিফিটেড।'
চেয়ারম্যান বলেন, 'এই ক্ষেত্রেও তাদের বিষয়টি আরও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করার বিষয় মাথায় রাখা হয়েছে। ১৯তম পরীক্ষা হওয়ার আগে শূন্যপদের তালিকা ১২ এপ্রিল পর্যন্ত আনা হবে। এর পরে ১৯তম নিবন্ধন হবে এবং নবম নিয়োগ সুপারিশ দেওয়া হবে।'
তিনি বলেন, 'নবম নিয়োগ সুপারিশের পর, ২০তম নিবন্ধন ও পরবর্তী নিবন্ধনের আগে ১৮তম, ১৭তম, ১৬তমে যারা কোয়ালিফাইড থাকবেন, তাদেরকে আরও আরেকটা সুযোগ দেওয়া হবে। যেহেতু সিলেবাস পরিবর্তন হচ্ছে, ১৯তম তাদের কম্পেয়ার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পরবর্তীতে তাদের আরেকটি সুযোগ দেওয়া হবে, যা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।'