Image description

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বালুমহালের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছে। এতে একাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার তেওতা ৯ নং ওয়ার্ডের আলোদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম মিরাজ হোসেন (৪০)। নিহত মিরাজ হোসেন পাবনার বেড়া উপজেলার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি উপজেলার আলোকদিয়ার চরের মজিদ হোসেনের ছেলে।

 

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের বালু মহালের ইজারাদার সাত্তার কমিশনারের লোকজন জোরপূর্বক মানিকগঞ্জ জেলার সীমানা তেওতা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মধ্যে ড্রেজার বসান ও জোর করে মাটি কাটার চেষ্টা করেন। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দিলে তাদের ওপরে গুলি চালায়।

 
 

এ সময় মিরাজ ও জাহাঙ্গীর নামে ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মিরাজ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করে।

 

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফোন রিসিভ না করায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে ওই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোতালেব হোসেন ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাত্তার কমিশনারের লোকজন জোর করে আলোকদিয়ার চর থেকে ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন বাধা দেন। এ সময় সাত্তার কমিশনারের লোকজন গুলি ছুড়লে জাহাঙ্গীর আলম নামে একজন গুলিবিদ্ধ হন। গুলি ছোড়ার পর সাত্তার কমিশনারের লোকজন পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

শিবালয় থানার কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান, চরে গোলাগুলি বা কোপাকুপির ঘটনা শুনেছি। আমি আমার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে।

উল্লেখ্য, ওই চরের ইজারা পান ইফতেখার এন্টারপ্রাইজ, মিরাজ হোসেন ইফতেখার এন্টারপ্রাইজ প্রাইজের ম্যানেজার।