Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।

 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক) পদে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

 

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ঈদুল আজহার আগে ১২ লাখ টাকার ছাগলের বায়না করা তরুণ মুশফিকুর রহমান ইফাতকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে আলোচনার জন্ম দেন সাইয়েদ আবদুল্লাহ। পরে তার কর্মকাণ্ড ও পরিচয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমানের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে একাধিক পোস্ট দেন তিনি।

 

 

পরে মতিউর গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, মুশফিকুর তার ছেলে নন। কিন্তু সাইয়েদ আবদুল্লাহর অনুসন্ধান ও গণমাধ্যমের খবরে বেরিয়ে আসে, মুশফিকুর এনবিআরের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে মতিউর পরিবারের বিপুল সম্পদের তথ্য উঠে আসছে।

 

পরে সরকার মতিউরকে এনবিআরের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। সে সময় তাকে সরানো হয়েছিল সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও। একই সময়ে আদালত মতিউর এবং তার স্ত্রী লায়লা কানিজ ও ছেলে আহমদ তৌফিকুর রহমানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।