Image description

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে বিজিবির অভিযানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে মজুত করা সাড়ে সাত হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাটগ্রাম উপজেলার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ। অভিযানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার লিটার ডিজেল মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়।

 

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জব্দ করা তেলের পরিমাণ পাম্পের দৈনিক বরাদ্দের তুলনায় অনেক বেশি। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতি লিটার ডিজেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল। অভিযানের পর বিজিবি সদস্যরা সারারাত ওই তেলের স্তূপ পাহারা দিয়ে রাখেন।

 

তবে রাতেই বিষয়টি জানাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরদিনও তিনি ঘটনাস্থলে যাননি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে মঙ্গলবার সকালে জনচাপের মুখে পড়ে সংশ্লিষ্ট ডিপোর মালিক কৃষকদের মাঝে সীমিত পরিমাণে ডিজেল বিতরণ শুরু করেন।

 
 

 

এ বিষয়ে ইউএনও তানভীর হোসেন এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘সোমবার ওই ডিপোতে তেল এসেছে। বিজিবি আটক করেছে বিষয়টি শুনেছি। ইতিমধ্যে একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছি এবং কৃষকদের মাঝে বিতরণ শুরু হয়েছে।’ নিজে ঘটনাস্থলে কেন যাননি—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, বিষয়টি শুনে আর যায়নি। যেহেতু আমার লোক গিয়েছে, তাই আমার যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি।’