Image description

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শেরে-ই-বাংলা ও মন্নুজান হলকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করেছে রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) প্রকৌশলী প্রতিনিধি দল। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হলগুলোর শিক্ষার্থীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আভাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ২টায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে-ই-বাংলা হল ও মন্নুজান হল পরিদর্শন শেষে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে শেরে-ই-বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে নবনির্মিত বিজয় একাত্তর হলে স্থানান্তর করেছে হল প্রশাসন।

 

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা হলগুলো পরিদর্শন করেছি। এগুলো সংস্কারের জন্য বড় ধরনের বাজেট প্রয়োজন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব সরকারের কাছে সমস্যাগুলো তুলে ধরব এবং সমাধান চাইব। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক ভবন ও আবাসিক হলগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরিদর্শন করানো হবে। ঝুঁকির মাত্রা কতটুকু, আদৌ কোনো ঝুঁকি আছে কিনা—সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

 
 

শিক্ষার্থীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই আমরা হলের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসব। সবার মতামত অনুযায়ী, যেভাবে সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে, স্থায়ীভাবে তা অন্যত্র স্থানান্তর, নয়তো সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো কিছুই চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

 

হল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান এবং শেরে-ই-বাংলা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল ইসলাম।

এছাড়াও শেরে-ই-বাংলা হল সংসদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।