পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের মধ্যে তাইওয়ান প্রণালিতে সামরিক বাহিনীর মোতায়েন বাড়িয়েছে চীন। ফলে পূর্ব এশিয়াতেও উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়। এমতাবস্থায় তাইওয়ান সফর করেছেন চার মার্কিন সিনেটর, যা ভালোভাবে নেয়নি বেইজিং। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘কঠোর কূটনৈতিক প্রতিবাদ’ জানিয়েছে তারা।
সোমবার (৩০ মার্চ) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ খবর জানিয়েছে দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া।
মাও নিং বলেন, বেইজিং সব সময়ই যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের মধ্যে যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের তীব্র বিরোধিতা করে। এই সফর চীনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।
তিনি চীন-মার্কিন সম্পর্কের সার্বিক স্বার্থ এবং তাইওয়ান প্রণালিজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের সার্বভৌম বলে দাবি করে আসছে। তবে তাইওয়ান বেইজিংয়ের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে বরাবরই। এদিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কৌশলগত ও সামরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে তাইপে।
গত বছরে প্রকাশিত এক মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, চীন আগামী ২০২৭ সালে তাইওয়ান দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। যদিও পরে আরেক মার্কিন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই দাবির কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য ওয়াশিংটনের কাছে নেই।