বাংলাদেশের পালং থেকে স্কুল ফেরত ১৬ বছরের এক কিশোরী নিখোঁজ হয়েছিল। অভিযোগ, তাকে পাচার করা হয় ভারতে। শেষ পর্যন্ত দুই দেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের চেষ্টায় কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিশোরীকে বর্তমানে রাখা হয়েছে কলকাতার বিধাননগরের একটি হোমে। এক পাচারকারী যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে পালংয়ে স্কুল থেকে ফেরার পথে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। অভিভাবকরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারেন কিশোরীকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। তাদের সন্দেহ হয় মারিয়া নামের এক নারীসহ কয়েকজন এই পাচারের সঙ্গে যুক্ত। সেই মতো কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে পালং মডেল সদর থানায় দশ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়। তারা ইমেইলের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য ও ছবি পাঠিয়ে কলকাতার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে সাহায্যের আবেদন করে। এরপরই খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগণা জেলার গোবরডাঙা থানায় সংগঠনের পক্ষে অয়ন অধিকারী অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশ বুধবার রাতে গোবরডাঙার কৃষ্ণনগর পূর্ব পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি কিশোরীকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পার্থ হালদার ওরফে রোহন নামের এক যুবককে। আটক যুবককে বৃহস্পতিবার বারাসাত মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তিন দিনের জন্য রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নিকট হাজির করানো হয়। তার গোপন জবানবন্দি নেয়া হয়।
জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি বাংলাদেশ উপদূতাবাসকে জানানো হয়েছে।