Image description

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অন্য এলাকা থেকে ‘লোক ভাড়া করে’ এনে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষকারীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমিতে নেমে সংঘর্ষে জড়ায়।

পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সংঘর্ষে অনেক বেশি লোকজন অংশ নেওয়ায় পুলিশকে বেগ পেতে হয়।

 

এদিকে সংঘর্ষ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার পর কঠোর অবস্থানে যায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী সেখানে অবস্থান করছেন।

তল্লাশি ও ধরপাকড়ের উদ্দেশ্যে অভিযান চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

সংঘর্ষে নিহতরা হলেন গোয়ালনগর গ্রামের হাছন আলীর ছেলে মো. আক্তার মিয়া (৪৫) ও হান্নান মিয়ার ছেলে মো. হাবিবুর রহমান (৩৫)। এর মধ্যে হাবিবুর রহমান স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। ঝগড়া ফেরাতে এসে তিনি বুকে ও মাথায় টেঁটাবিদ্ধ হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশত লোক আহত হন। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেন্দ্রিক একটি ঘটনার সন্দেহে গত ১৭ মার্চ দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ওই সংঘর্ষের পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

 

গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজহারুল হক জানান, জালভোট নিয়ে সন্দেহ ও ভুল বোঝাবুঝি থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। একটি পক্ষ বাইরে থেকে লোকজন আনায় পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ্ মো. আব্দুর রউফ মঙ্গলবার রাতে জানান, পুলিশের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী রয়েছে। ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। সেখানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।