একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম গণহত্যা স্মরণে বুধবার (২৫ মার্চ) সারা দেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ কর্মসূচি পালন করা হবে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (২৩ মার্চ) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় গণহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে প্রতীকী ব্ল্যাক আউট পালন করা হবে। তবে কেপিআইভুক্ত এলাকা, জরুরি স্থাপনা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মিশন এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।
মন্ত্রণালয় জানায়, দিবসটির পবিত্রতা ও গাম্ভীর্য রক্ষায় ২৫ মার্চ রাতে দেশের কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরীহ বাঙালি, ছাত্র-শিক্ষক, ও পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে হাজারো মানুষকে হত্যা করে। দেশের ইতিহাসে এটি ‘কালরাত’ হিসেবে পরিচিত।
জাতীয় সংসদে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
এদিকে দেড় যুগেরও বেশি সময় পর এ বছর ফিরছে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ। এরইমধ্যে কয়েক দফা মহড়ার মাধ্যমে প্রস্তুতি ঝালাই করেছেন সেনা-নৌ-বিমান বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রত্যয়ী শপথে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রহরীরা। প্যারেডে অংশ নেবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।