Image description

জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং ব্যবস্থাসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিন কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত বেশ কিছু তেলের জাহাজ এসেছে, দ্বিতীয়ত সামনে ঈদ এবং তৃতীয় কারণ হলো বোরো মৌসুম।

তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এ নিয়ে উদ্বেগ অস্বাভাবিক কিছু না। তবে আমরা জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার চেষ্টা করব। যতক্ষণ অর্থনীতি চাপ সইতে পারবে, ততক্ষণ দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।

এর আগে, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, ঈদযাত্রার চাপ বিবেচনায় দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহনে জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো সীমা রাখা হবে না।

তিনি বলেন, রোববার থেকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়বে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগেই গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনে তেল নেওয়ার কোনো সীমা থাকবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছিল সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল। আর রাইড শেয়ার চালকদের জন্য রাতে ৫ লিটার বরাদ্দ ছিল।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।