জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের বফলগাড়ী গ্রামে ছেলের হাতে বাবা খুন হয়েছে। এবং এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী ও মেয়ে। আহত স্ত্রী ও মেয়েকে বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
"নিহত ব্যক্তি আক্কাস আলী, অভিযুক্ত ছেলে গোলাপ হোসেন(৩২-৩৫)" বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার (১৪ই মার্চ) ইফতারের পূর্বে ছেলে গোলাপ হোসেন তার পিতার কাছে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা চেয়েছিলেন, মূলত পিতা তাকে টাকা না দেওয়াতেই এ ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার একপর্যায়ে ছেলে বাড়িতে থাকা লোহার বটি, লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে পিতা আক্কাস আলীকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এ সময় তার মা ও বোন আটকাতে আসলে ছেলে তার মা ও বোনকেও মারধর ও আঘাত করেন। মারধরের পরে ব্যাপক রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই পিতার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর নিহতদের স্ত্রী ও মেয়েকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক অবস্থায় নিহতের স্ত্রী ও মেয়েকে স্থানীয়রা চিকিৎসার জন্য প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং অভিযুক্ত ছেলে গোলাপ হোসেনকে আটক করে কালাই থানা পুলিশ।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত গোলাপ হোসেনকে আটক করে। আহতদের মধ্যে মা আবেদা বেগমের অবস্থা আশংকাজনক।’
ঘটনা ঘটার পরেই সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এ তথ্য। নেটিজেনরা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবি উঠিয়েছেন।