Image description

ইরান এবার হামলায় নতুন কৌশল ব্যবহার করে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। ৩৭তম দফায় চালানো এই হামলায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের গতির পাঁচ গুণের বেশি গতিতে ছুটতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ইসরায়েলের গোপন ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারেও আঘাত হেনেছে।

আইআরজিসি জানায়, টানা তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা এই অভিযানে নতুন প্রজন্মের ‘সুপার-হেভি খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে কয়েক স্তরের সমন্বিত হামলা চালানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির কাছে আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনের জুফায়ার বিমান ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটি এবং হাইফার বেসামরিক বিমানবন্দরও নিশানায় ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত পৃথক এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত হায়েলা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বির ইয়াকুব, পশ্চিম জেরুজালেম এবং হাইফার বিভিন্ন সামরিক স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরেও হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করতে কাজ করছে। তবে হামলায় হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকাটাইমস