Image description

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেন যে, তার মতে মার্কিন সামরিক বাহিনী 'অসাধারণভাবে' তাদের কাজ করছে। আর এ কারণেই তিনি বিশ্বাস করেন যে এর পরে কী ঘটবে, তার শর্তগুলো তিনিই নির্ধারণ করে দিতে পারেন। তিনি বলেন, ইরানকে "বিনা শর্তে আত্মসমর্পণ" করতে হবে।

অবশ্য পরে তার প্রেস সেক্রেটারি এই মন্তব্যের একটি ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, এর অর্থ হলো—হয় ইরানিরা ঘোষণা করবে যে তারা পুরোপুরি হাল ছেড়ে দিচ্ছে, অথবা তাদের এমন এক অবস্থায় পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কখনোই তারা পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা না রাখে।

এছাড়া ট্রাম্প এ-ও বলেন যে, তিনি ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে চান। তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, ইরান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এর জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে তাদের পরবর্তী নেতা কে হবেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প এমন কাউকে নিশ্চিত করতে চেয়েছেন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিলে কাজ করবেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো হবেন এবং একই সাথে ইসরায়েলের জন্যও ইতিবাচক হবেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে রাশিয়া ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে—এমন খবরের জবাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেগসেথ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "খুব ভালো করেই জানেন যে তিনি কার সাথে কথা বলছেন" এবং যুক্তরাষ্ট্র "সবকিছুর ওপরই নজর রাখছে।"

হেগসেথ আরও বলেন, "প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে, যা কিছু ঘটা উচিত নয়, তার সবকিছুরই মোকাবিলা করা হচ্ছে এবং তা অত্যন্ত কঠোরভাবেই করা হচ্ছে।"

সূত্র : আল জাজিরা ও সিবিএস নিউজ