Image description

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা বাহিনী দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। এ জন্য কিছু নতুন অস্ত্র আগে থেকেই তুলে রাখা হয়েছে। তা যথাসময়ে ব্যবহার করা হবে।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রতিবদেনে বলা হয়, এক বিবৃতিতে আলি মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। এ জন্য নতুন অস্ত্রও আমরা আলাদাভাবে তুলে রেখেছি। সেসব এখনো বড় মাত্রায় ব্যবহার করা হয়নি। নতুন অস্ত্রগুলো শত্রুদের জন্য গুরুতর ও যন্ত্রণাদায়ক হবে। বর্তমানে সেগুলো পাইপলাইনে আছে, যথাসময়ে ব্যবহার করা হবে।’

 

নাইনি আরও বলেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার আরও বেশি সমৃদ্ধ।

 

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য ইরান প্রস্তুত, আসছে নতুন অস্ত্র

 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নিজেদের ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খাইবার নিক্ষেপ করে ইরান। তারপরেই এ বিবৃতি দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি।

 

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

 

পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

 

গত সাত দিন ধরে যুদ্ধ চলছে এবং হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। একপ্রকার একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

 

সূত্র : আল জাজিরা