Image description

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ছাপিয়ে ইরানজুড়ে একযোগে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল। এই অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটি এবং স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে তেহরান। গত কয়েক দিনের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর এবারের লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং খোদ তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী তেহরানের আকাশে মঙ্গলবার দিনভর ধোঁয়ার কু-লী দেখা গেছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের ভূগর্ভস্থ একটি গোপন পারমাণবিক সদর দপ্তর ধ্বংস করে দিয়েছে।

এছাড়া, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমিয়ে দিতে কয়েক শ ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার লক্ষ্য করে নির্ভুল আঘাত হানা হয়েছে। ইরানও হাত গুটিয়ে বসে নেই। মঙ্গলবার দুবাইয়ের মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে কোনো প্রাণহানির খবর না পাওয়া গেলেও স্থাপনাটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন মিশনেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সউদী আরব ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক, কাতার এবং জর্ডান থেকে জরুরি নয় এমন মার্কিন সরকারি কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারেÑএমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি এই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ ও বিমান বাহিনীর সক্ষমতার প্রায় সবটুকুই এই অভিযানে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প একে ‘অনিবার্য পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, নিজ দেশে এই যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

যুদ্ধের সরাসরি প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শেয়ার বাজারে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ধস। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইরানে কয়েক শ বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ১৬৫ জন স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা বিশ্বজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘ এই হামলার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে। লেবাননেও হিজবুল্লাহর আস্তানায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইরান সতর্ক করে দিয়েছে যে, তাদের মূল স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকলে তারা পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানবে। ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধের হুমকি দিয়েছে ইরান, যা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকেও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হতে পারে। আগামী কয়েক দিন এই অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত সংকটাপন্ন বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, গত ছয়দিনের হামলা ও পাল্টা হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে ইরানে প্রাণহানির চিত্র অত্যন্ত ভয়াবহ, যেখানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের বড় একটি অংশ প্রাণ হারিয়েছে। সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডিটি ঘটেছে ইরানের মিনাব শহরে। গত শনিবার একটি স্কুলে চালানো ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭৫ জন স্কুলছাত্রী ও স্টাফসহ অন্তত ১,২৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। পুরো ইরান এখন এক শোকাতুর জনপদে পরিণত হয়েছে।

পাল্টা জবাব দিতে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। গত ১ মার্চ ইসরাইলের বেইট শেমেসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৯ জনসহ মোট ১১ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৬ জন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। যুদ্ধের আঁচ লেগেছে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও। গত সোমবার থেকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৭৭ জন নিহত হয়েছেন। বাহরাইনের সালমান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় সৃষ্ট অগ্নিকা-ে ১ জন এবং কুয়েতে ইরানি হামলায় ২ জন সৈন্যসহ মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ওমান উপকূলে একটি পণ্যবাহী জাহাজে প্রজেক্টাইল আঘাত হানায় ১ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, তেল ট্যাংকারে হামলা : ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। গতকাল ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, অত্যাধুনিক ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারী মার্কিন যুদ্ধবিমানটিকে শনাক্ত করার পরপরই সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তবে বিমানের পাইলটের ভাগ্যে কী ঘটেছে বা তিনি জীবিত আছেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এর আগে গত সোমবারও মার্কিন তিনটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছিল তেহরান। এদিকে, পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন তেলের ট্যাংকারে দুঃসাহসিক হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। গতকাল সকালে এই অভিযানের পর ওই অঞ্চলে নিজেদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার দাবি করেছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

কুয়েত, বাহরাইন ও আমিরাতের ২০ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা : ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (ওজএঈ) দাবি করেছে যে, তারা কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত অন্তত ২০টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। বাহরাইনের মানামায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ওই শহরে থাকা বার্তা সংস্থা এএফপির একজন প্রতিবেদক এই তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে কাতারের দোহায়ও ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটিগুলো এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের হামলা ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত বিপর্যয় হতে পারে। তবে পেন্টাগন বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর ও ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্থ : ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) তেল আবিবের উপকণ্ঠে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের অভিজাত ইউনিটগুলো এই অভিযান পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবনেও আঘাত হানার খবর জানিয়েছে তারা।

ইরানের আরও দুই স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা : ইরানের রাজধানী তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত পারান্দ শহরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুইটি স্কুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এই খবর নিশ্চিত করেছে। ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলায় স্কুল দুটির ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকাশিত আলোকচিত্রে দেখা গেছে, একটি শ্রেণিকক্ষের ভেতর ধ্বংসস্তূপ এবং ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্টাংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। হামলার সময় স্কুল দুটিতে শিক্ষার্থী ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

ইরাকে কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু ইরানের : মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ষষ্ঠ দিনে যুদ্ধের মোড় এক নাটকীয় রূপ নিয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ের মাঝেই এবার প্রতিবেশী ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে তেহরান। বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তর ইরাকের সুলাইমানিয়াহ প্রদেশে ইরানের নজিরবিহীন ড্রোন ও মিসাইল হামলায় কেঁপে উঠেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র দাবি অনুযায়ী, ‘ইরানবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনী’ নির্মূল করতেই এই অপারেশন চালানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুলাইমানিয়ার আরবাত, জারকুইজ ও সুরদাশ এলাকায় অন্তত চারটি বিশাল বিস্ফোরণ ঘটেছে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সশস্ত্র কুর্দি গোষ্ঠী ‘কোমালা’র সদর দপ্তর। গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই কুর্দি গোষ্ঠীগুলো সম্প্রতি ওয়াশিংটনের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছিল। সেই হুমকি নস্যাৎ করতেই এই আগাম হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুদ্ধজাহাজ ‘দেনা’ ধ্বংস, শ্রীলঙ্কার পথে ইরানের দ্বিতীয় রণতরী : ভারত মহাসাগরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়েছে ইরানের অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ‘আইআরআইএস দেনা’। ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-র বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই ঘটনার পরপরই শ্রীলঙ্কার জলসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে ইরানের আরও একটি দ্বিতীয় যুদ্ধজাহাজ। সাম্প্রতিক এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সমুদ্র অঞ্চলেও বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করেছে। খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন থেকে ছোঁড়া গোলায় ইরানি রণতরী ‘দেনা’ সমুদ্রের তলদেশে তলিয়ে যায়। তবে এই হামলায় কতজন হতাহত হয়েছেন বা ঠিক কোন অবস্থানে হামলাটি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা : মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টির নেপথ্যে পশ্চিমা দেশগুলোর পরিকল্পনা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তার মতে, ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতার মূল লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ ও অনৈক্য তৈরি করা। সের্গেই ল্যাভরভ আরও জানান, পশ্চিমা শক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে দেশগুলোর মধ্যকার ঐক্য বিনষ্ট করার কৌশল নিয়েছে। ইরানের ওপর এই হামলাকে তিনি সেই সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে দেখছেন। গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেওয়া কূটনীতিকদের সামনে তিনি রাশিয়ার এমন অবস্থান স্পষ্ট করেন। সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস, এএফপি, রয়টার্স, আল-জাজিরা।