Image description

মার্কিন-ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যা ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধীরা সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দাবি করেছে।

বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসন ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সংযম এবং উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বানের পরিবর্তে একটি সুচিন্তিত নীরবতা বজায় রেখেছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। সূত্র জানিয়েছে, এই অবস্থান বেশির ভাগ প্রধান বিশ্বশক্তির প্রতিক্রিয়ার প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

বিরোধী দলগুলো ইরানের নেতা খামেনির হত্যাকে ‘অনৈতিক, বেআইনি’ বলে নিন্দা জানিয়েছে। কংগ্রেস ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ‘লক্ষ্যবস্তু করে হত্যা’র নিন্দা জানিয়েছে। দলটি গত সপ্তাহে মোদির ইসরাইল সফরের সময়কেও সমালোচনা করেছে।

বিরোধী দল কেন্দ্রের পররাষ্ট্র নীতিরও সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে যে, দীর্ঘদিন ধরে ‘বন্ধু’ ইরানের ওপর যুদ্ধ শুরু করার পর সরকারের প্রতিক্রিয়া ভারতের মূল্যবোধ, নীতি এবং স্বার্থের প্রতি ‘বিশ্বাসঘাতকতা’। সিপিআই নেতা ডি. রাজা বলেছেন, মার্কিন-ইসরাইল জোট সবচেয়ে নগ্ন আকারে মন্দকে প্রতিনিধিত্ব করে। সার্বভৌমত্ব স্পষ্টতই কেবল ওয়াশিংটনের সঙ্গে জোটবদ্ধদের জন্য প্রযোজ্য বলে রাজা সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে বলেছেন।

তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদি সংলাপ এবং কূটনীতির উপর জোর দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন।
অবশ্য, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তিনি তার ‘প্রিয় বন্ধু’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।